রাজারহাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন

রাজারহাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন: দাম নিয়ে শঙ্কিত কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চলতি আমন মৌসুমের শেষ সময় এখন। মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে সোনালী ধান। আর ক’দিন বাদে ধান কাঁটার উৎসবে মেতে উঠবেন কৃষক পরিবার।

বাড়ির উঠান গুলো কৃষাণ/কৃষাণিদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠবে।ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় তারা স্বপ্ন দেখতে শুরু করছে। চলছে ধান কাঁটার ব্যাপক প্রস্তুতি। কৃষকের চোখে মুখে এখন শুধু স্বপ্ন আর স্বপ্ন।

কিন্তু ধানের ন্যায্য মুল্য পাবে কিনা তা নিয়ে কৃষক অনেকটা শঙ্কিত । রাজারহাটে গত ইরি-বোরো মৌসুমে লটারির মাধ্যমে ধানের মন প্রতি ১০৪০ টাকা দরে কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করা হলেও বরাদ্দ কম থাকায় অধিকাংশ কৃষক এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

আমন মৌসুমে কোন পদ্ধতিতে ধান ক্রয় করা হবে এ ব্যাপারে তারা উদিগ্ন। চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় মোট কৃষিজ জমির প্রায় ১২,৫১০ হেক্টর জমি আমন চাষের আওতায় আনা হয়েছে ।

এরমধ্যে কৃষকরা বি আর-১১,ব্রি ধান-১৭,৫৬,৭১,৭২,৮৮, বিনা-১৭,স্বর্না, রনজিৎ এবং স্থানীয় জাতের ধানের চাষাবাদ করেছেন।

রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে দেখা যায় মাঠে মাঠে শুধু ধান আর ধান। মৌসুমী বায়ুর প্রভাব ও ইদুরের আক্রমণে কৃষক কিছুটি ক্ষতিগ্রস্থ হলেও ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা লক্ষ্য করা গেছে।

প্রতি বিঘা জমিতে ২১-২৫ মন ধান হবে বলে কৃষকরা আশা করছে।

কথা হয় ফরকেরহাটের আব্দুর রহিম, পুণকরের কৃষ্ণ পদ,নাজিমখাঁনের সুজন চন্দ্র বকসী ও তালতলার নিমাই কুমার রায়ের সাথে তারা জানান ধানের ভালো ফলনে আমরা খুশি কিন্তু দাম কতটুকু পাবো তা নিয়ে চিন্তিত।

উপজেলা কৃষি কর্মকতা মোঃ কামরুজ্জামান জানান, অনুকূল আবহাওয়া,কৃষকদের মাঝে সার, বীজ,কীটনাশক,কৃষি সহায়ক যন্ত্রপাতি, কৃষি ভূর্তকি ও সময়মতো পরামর্শ প্রদান সবমিলিয়ে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও জানান কোথাও ধানের রোগ ও পোকার আক্রমণ দেখা দিলে সঠিক সময়ে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে থাকি। আমরা আশাকরছি আমাদের লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে।